এই আইডি কার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ, ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা, আর্থিক প্রণোদনা, সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহজে লাভ করতে পারবেন। একইসঙ্গে এটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে।
freelancers.gov.bd প্ল্যাটফর্মটি একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডাটাবেইজ হিসেবেও কাজ করবে, যেখানে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা, দক্ষতা, কাজের ধরন ও বাজার প্রবণতা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত ও হালনাগাদ থাকবে। এই তথ্য নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জন্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্যোগটির মাধ্যমে ব্যাংক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তরুণ সমাজের আত্মকর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এটি একটি কৌশলগত জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে বলেও জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
0 Comments
No Comment YetLeave A Reply