Embassy Attestation সম্পন্ন না করেই MXM Surface-এর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে সম্ভাব্য কর্মীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন। এই নিয়োগ কার্যক্রমে বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি Triple A Overseas (RL-2630) সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।
মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠান MXM Surface Sdn Bhd-এর জন্য বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয় Embassy Attestation সম্পন্ন না করেই MXM Surface-এর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে সম্ভাব্য কর্মীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন।
এই নিয়োগ কার্যক্রমে বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি Triple A Overseas (RL-2630) সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

Attestation ছাড়া কীভাবে বাংলাদেশে সাক্ষাৎকার?
সংশ্লিষ্টদের মূল প্রশ্ন—MXM Surface Sdn Bhd-এর নিয়োগ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় Embassy Attestation সম্পন্ন না হয়ে থাকলে, কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে কোম্পানির প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে কর্মীদের সাক্ষাৎকার ও বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন?
একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, Triple A Overseas (RL-2630) কোন নথি ও অনুমোদনের ভিত্তিতে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং কর্মীদের সাক্ষাৎকারে কোম্পানির প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না।
কর্মীপ্রতি প্রায় ৬ লাখ টাকা-
অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, কর্মীদের কাছ থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য প্রায় ৬ লাখ টাকা (Tk 600,000) নেওয়া হচ্ছে।কর্মীদের কাছ থেকে এত বড় অঙ্কের অর্থ নেওয়া হলে এর সম্পূর্ণ খাতভিত্তিক হিসাব, সরকারি ফি, প্রসেসিং খরচ, মেডিকেল, ইন্স্যুরেন্স, বিমানভাড়া ও এজেন্সি/সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

জরুরি তদন্তের দাবি:
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং BMET-এর জরুরি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
তদন্তের মাধ্যমে বিশেষভাবে যাচাই করার দাবি রয়েছে—
1. MXM Surface-এর Embassy Attestation সম্পন্ন হয়েছে কি না;
2. Attestation ছাড়া বাংলাদেশে কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার অনুমোদন রয়েছে কি না;
3. Triple A Overseas (RL-2630)-এর নিয়োগ কার্যক্রমের বৈধতা;
4. কর্মীদের কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি;
5. ৬ লাখ টাকার খাতভিত্তিক ব্যয় ও তার অনুমোদন;
6. কর্মীদের অর্থ গ্রহণের রসিদ ও চুক্তিপত্র;
7. পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত সরকারি বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না।

কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা:
বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ যেন কোনোভাবেই কর্মীদের জন্য আর্থিক ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তার কারণ না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
Embassy Attestation ছাড়াই যদি বাংলাদেশে কোম্পানির পক্ষ থেকে কর্মী সাক্ষাৎকার এবং বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে এর আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি কী—তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। MXM Surface Sdn Bhd এবং Triple A Overseas-এর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
Share On:
0 Comments
No Comment YetLeave A Reply