তবে আগের দুটি ছবিই দীর্ঘদিন বড় পর্দায় রাজত্ব করেছিল—টানা সাত সপ্তাহ ধরে বক্স অফিসের শীর্ষে ছিল তারা। শেষ পর্যন্ত সেগুলো হয়ে ওঠে চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ আয় করা ছবি। প্রথম ‘অ্যাভাটার’-এর আয় ছিল ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, আর এর সিকুয়েল আয় করেছিল ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিশ্বব্যাপী আয়ে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এই লক্ষ্য অর্জন অনেকটাই নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক দর্শকের ওপর। কারণ, আগের দুটি ছবিকেই মূলত বিদেশি বাজারের দর্শকেরাই অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, প্রথম ‘অ্যাভাটার’ শুধু আন্তর্জাতিক বাজার থেকেই আয় করেছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, আর ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিদেশি বাজার থেকে তুলেছিল ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ হলো ২০২৫ সালে ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এর আগে একই বছরে এই মাইলফলক স্পর্শ করে ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’।
0 Comments
No Comment YetLeave A Reply