চেলসি আশা করছে, তারা আগামী গ্রীষ্মে নির্ধারিত পর্যালোচনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবে—যা ইতালিয়ান কোচের অধীনে দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পর অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য আগেই ঠিক করা ছিল। তবে প্রয়োজনে তারা আগেই পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলেও জানা গেছে। একই সঙ্গে এই সম্ভাবনাও আছে, মারেস্কা যদি মনে করেন তিনি আর চেলসিতে কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন না, তবে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নিজেই সরে দাঁড়াতে পারেন।
ক্লাবের ভেতরে ধারণা রয়েছে, দলটির পারফরম্যান্স বর্তমান অবস্থার চেয়ে ভালো হওয়া উচিত ছিল। স্কোয়াডে যথেষ্ট প্রতিভা রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়, যার মাধ্যমে শীর্ষ চার নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু বোর্নমাউথের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ড্র ছিল আরেকটি হতাশাজনক ফল।
ওই ম্যাচে চেলসি এগিয়েও ছিল, কিন্তু চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে জয়ী অবস্থান থেকে তারা ইতোমধ্যে ১৫ পয়েন্ট হারিয়েছে—যা লিগের যেকোনো দলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এই দুর্বল ধারায় চেলসি শিরোপার দৌড় থেকে পিছিয়ে পড়ে এখন পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে এবং শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধানের তুলনায় ১৭তম স্থানে থাকা নটিংহাম ফরেস্টের সঙ্গে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান কম এখন।
জানুয়ারি মাসে চেলসি ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাবে, যেখানে নয়টি ম্যাচ নির্ধারিত রয়েছে। যার শুরুটা হবে এই রোববার (৪ জানুয়ারি) ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে সফরের মাধ্যমে।
গ্রীষ্মে পেপ গার্দিওলা যদি ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়েন, তাহলে মারেস্কার সেখানে যাওয়ার গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। এই খবর আসে তার আগের ‘সবচেয়ে খারাপ ৪৮ ঘণ্টা’ মন্তব্যের পর, যা তিনি ব্যাখ্যা করতেও অস্বীকৃতি জানান—এতে ক্লাব কর্তাদের তিনি কিছুটা অপ্রস্তুত করে ফেলেছিলেন।
গত শীতে, যখন চেলসি একই ধরনের হতাশাজনক ফর্মে পড়েছিল, তখনও মারেস্কার পাশে দাঁড়িয়েছিল ক্লাব। তবে এবার তার প্রেস কনফারেন্সে দেওয়া রহস্যময় মন্তব্যগুলো পর্দার আড়ালে বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
0 Comments
No Comment YetLeave A Reply